ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে মরিচের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

আবহাওয়া ও পরিবেশ ভালো থাকায় প্রতি বছরের ন্যায় চলতি মৌসুমেও পঞ্চগড়ে মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে।
জেলার পাঁচ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারগুলোতে উঠতে শুরু করেছে কাঁচা- পাকা ও শুকনো মরিচ। মৌসুমের শুরুতেই  মরিচের চাহিদা বাড়ার সাথে  দাম ভালো পাওয়ায় খুশি মরিচ চাষীরা।
 পঞ্চগড় জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের লোকজন বলছে, গত মৌসুমে জেলায় ৮ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কৃষকরা জমি থেকে মরিচ উত্তোলন করে মাঠে, রাস্তায়, চাতালে, ঘরের টিনে শুকানো নিয়ে ব্যস্ত।
জেলার ৫ উপজেলার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতেও মরিচ চাষ করে বদলে গেছে শত শত কৃষকের ভাগ্য।
বিভিন্ন ফসলের পাশাপাশি রবি শস্য ও সবজী চাষ বেশী হচ্ছে। কৃষকের জমিতে মরিচ চাষ এনে দিয়েছে নতুন গতি।
জেলার চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত মরিচ রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানী হচ্ছে। পঞ্চগড়ের মাটির উর্বর বেলে দোঁ-আশ  তাই এসব এলাকায় মরিচের আবাদ ভালো হয়।
পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার গরিনাবাড়ির ইউনিয়নের  ফুটকিবাড়ী গ্রামের সলেমান আলী, বোদা উপজেলার কেরামত আলীসহ অনেক মরিচ চাষীরা জানান, এবার মরিচ বিঘা প্রতি যে হারে খরচ হয়েছে তার থেকে দ্বিগুন লাভে মরিচ বিক্রয় করতে পারবো।
জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৮ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে।
পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মো: রিয়াজ উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে জেলায় ৮ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। মরিচ চাষে কৃষকদের ভাল পরামর্শ দিয়েছি, এবার মরিচ চাষে কৃষকরা দ্বিগুন লাভবান হওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

পঞ্চগড়ে মরিচের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট সময় : ০৪:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩
আবহাওয়া ও পরিবেশ ভালো থাকায় প্রতি বছরের ন্যায় চলতি মৌসুমেও পঞ্চগড়ে মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে।
জেলার পাঁচ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারগুলোতে উঠতে শুরু করেছে কাঁচা- পাকা ও শুকনো মরিচ। মৌসুমের শুরুতেই  মরিচের চাহিদা বাড়ার সাথে  দাম ভালো পাওয়ায় খুশি মরিচ চাষীরা।
 পঞ্চগড় জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের লোকজন বলছে, গত মৌসুমে জেলায় ৮ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কৃষকরা জমি থেকে মরিচ উত্তোলন করে মাঠে, রাস্তায়, চাতালে, ঘরের টিনে শুকানো নিয়ে ব্যস্ত।
জেলার ৫ উপজেলার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতেও মরিচ চাষ করে বদলে গেছে শত শত কৃষকের ভাগ্য।
বিভিন্ন ফসলের পাশাপাশি রবি শস্য ও সবজী চাষ বেশী হচ্ছে। কৃষকের জমিতে মরিচ চাষ এনে দিয়েছে নতুন গতি।
জেলার চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত মরিচ রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানী হচ্ছে। পঞ্চগড়ের মাটির উর্বর বেলে দোঁ-আশ  তাই এসব এলাকায় মরিচের আবাদ ভালো হয়।
পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার গরিনাবাড়ির ইউনিয়নের  ফুটকিবাড়ী গ্রামের সলেমান আলী, বোদা উপজেলার কেরামত আলীসহ অনেক মরিচ চাষীরা জানান, এবার মরিচ বিঘা প্রতি যে হারে খরচ হয়েছে তার থেকে দ্বিগুন লাভে মরিচ বিক্রয় করতে পারবো।
জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৮ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ করা হয়েছে।
পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মো: রিয়াজ উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে জেলায় ৮ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। মরিচ চাষে কৃষকদের ভাল পরামর্শ দিয়েছি, এবার মরিচ চাষে কৃষকরা দ্বিগুন লাভবান হওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।